• Shah Poran Shakil
  • প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

পাবজিতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ের মাঝে হাত-পা ঘেমে যাওয়ার সমস্যার কারণ।

single image

আমাদের অনেকেরই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হাত-পা ঘেমে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে।
হয়তো এমনও হয়েছে, আপনাকে ভাইভা বোর্ডে কিছু লিখতে বলা হয়েছে কিন্তু হাত এতোটাই ঘেমে আছে কলমই ধরতে পারছেন না! ব্যাপারটা অনেক বেশি বিরক্তিকর ও পীড়াদায়ক।
চলুন জেনে নিই বিস্তারিত-
Hyperhidrosis শুধু হাতের তালু ঘেমে যাওয়া নয়, শরীরের বিভিন্ন অংশও ( যেমন-মুখ, পা, আন্ডারআর্মস,ঘাড় ইত্যাদি) এর ফলে অস্বাভাবিক ভাবে ঘামতে থাকে।
অস্বাভাবিক এই কারণে কোনো পরিশ্রম বা তাপের সংস্পর্শে না আসার ফলেও এটা হয়। এমনকি প্রচন্ড শীতেও হয় এ সমস্যা।
এর পেছনে প্রধান কারণ মানসিক অস্থিরতা বা দুশ্চিন্তা। এই সমস্যাকে Polyhidrosis, sudorrhea ও বলা হয়। সাইন্স বী
কেনো হয় এই সমস্যা?
বিজ্ঞানীরা মানসিক চাপ কেই প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
তবে, শরীরের বিভিন্ন ভারসাম্যহীনতা, গ্লুকোজের অভাব, ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের সমস্যা, মেনোপজ এর পর, বিভিন্ন জেনেটিক কারণেও এই সমস্যা হতে পারে।
সাধারণত শরীরের বিভিন্ন অংশের ভিত্তিতে হাইপারহাইড্রোসিস দুই ভাগে বিভক্ত।
১. প্রাইমারি/ফোকাল ( মুখমন্ডলের বিভিন্ন জায়গা, আন্ডারআর্মস, স্কাল্প ইত্যাদি অংশে হয়)


২.সেকেন্ডারি/Generalized(হাত, পা ও অন্যান্য অংশে যখন হয়)


★প্রাইমারি হাইপারহাইড্রোসিস হওয়ার প্রধান কারণ এখনও অজানা। তবে মানসিক ভাবে শঙ্কিত থাকাই একটি কারণ। এসব রোগীদের ওপর সার্ভে করে দেখা গেছে যখন তারা নার্ভাস থাকে তখনই ঘেমে যায় আর যখন এই ঘাম হওয়ার ব্যাপারটি বুঝতে পারে তখন আরো বেশী নার্ভাস হয়ে যায়। ড্রিংক করা, নিকোটিন, ক্যাফেইন গ্রহণ করা অথবা এসবের গন্ধ নাকে আসলেও এই সমস্যা হতে পারে।

★সেকেন্ডারি হাইপারহাইড্রোসিসের পেছনে পূর্বের সংশ্লিষ্ট কারণগুলো ছাড়াও আরো বিশেষ কিছু কারণ রয়েছে। ক্যানসার, endocrine সিস্টেমে ব্যাঘাত, ইনফেকশন এর ফলে হতে পারে।
এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণের উপায়:
যেহেতু এটা চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি অংশ, তাই খুব বেশি সমস্যা হলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া উচিত। সাইন্স বী
তবে কিছু উপায় প্রাথমিকভাবে অবলম্বন করতে পারেন। সেগুলো হলো:


১. যেহেতু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানসিক চাপের ফলে সমস্যা টা হয়, তাই ঐ সময়টাতে জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিতে পারেন। যেটা কিছুটা মানসিক চাপ কমাতে পারে।


২. শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় যেহেতু ঘাম হয় তাই বেশি বেশি পানি পান করতে পারেন, যেটা শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়ক।


৩. অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড যুক্ত লোশন ব্যবহার করতে পারেন, তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে।


৪. এছাড়া হাত-পা ঘেমে গেলে তাৎক্ষণিক আপনার ত্বকের জন্য মানানসই পাউডার ব্যবহার করতে পারেন।
আর হ্যাঁ, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকাটাও জরুরী।


তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

Spread the love

আপনার মতামত লিখুন